শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

রমজানের উত্তাপ এখনো কমেনি কাঁচাবাজারে

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ২৪ জুলাই ২০১৫ - ১১:৪৪:২৯ এএম

টাইমস বিডি অর্থ ও বানিজ্যঃ  ঈদ শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পার হলেও রামজানের রেশ কাটেনি রাজধানীর কাঁচাবাজারে। নতুন করে কোনো পণ্যের দাম না বাড়লেও এখনো রমজানের মতো বাজার চড়া থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতারা।

আর বিক্রেতারা বলছেন, ঈদ শেষে এখনো বাজারে পণ্যের আমদানি স্বাভাবিক হয়নি। তাই দামেও তেমন পরিবর্তন আসেনি।

ঈদের পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, হাতিরপুল বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। তবে শুক্রবার হলেও বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম দেখা গেছে, দোকানের সংখ্যাও তুলনামূলক কম খোলা ছিল।

খুচরা বাজারে এ দিন বেগুন আকার ভেদে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা, ঢেঁড়স, কাররোল, করলা ও বরবটি ৪০-৪৫ টাকা, পটল ৩০, লালশাক প্রতি আঁটি ১৫, পুঁইশাক ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

‘রমজান গেলেও সবজির দাম কমেনি কেন?’ এমন প্রশ্নের জবাবে কারওয়ান বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা শফিক মিয়া বলেন, ‘ঈদ ভাঙা বাজারে মালামাল আমদানি কম, কাস্টমারও কম। তাই দাম একটু বেশি।’

বৃষ্টির কারণেও দাম একটু বেশি। তবে সপ্তাহখানেকের মধ্যে সবজির দাম কমতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

একই বাজারের ক্রেতা একটি বেসরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তা জেসমিন আরা বলেন, ‘সারাটা রোজার মাসে দোকানদাররা ডাকাতি করেছে। এখন ঈদ শেষ হলেও কোনো কিছুরই দাম কমেনি।’

অনেকটা ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘রমজানেই কর্তৃপক্ষ মনিটরিং করে দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারেন না, আর এখন কর্তৃপক্ষ হস্তক্ষেপ করবে বলে মনে হয় না। যখন বিক্রেতাদের মন চাইবে দাম কমাবে, আর না হলে যে দামেই হোক আমাদের তো খেতেই হবে।’

এদিকে, খুচরা বিক্রেতারা পাইকারি বাজারে বেশি দামের অজুহাত দেখালেও এ দিন পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের ব্যাপক পার্থক্য দেখা গেছে।

হাতিরপুল বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে। একই মরিচ কারওয়ান বাজারের পাইকারি প্রতি ৫ কেজি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে প্রতি ৫ কেজি ২৩০ টাকা দামের পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫৫ টাকা, প্রতি ৫ কেজি ৮০ টাকার শসা প্রতি কেজি ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে রসুন প্রতি কেজিতে ২০ টাকা কমে দেশী ৫০ টাকা এবং ভারতীয় ৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ছাড়া আলু প্রতি কেজি ২৪-২৫ টাকা এবং আদা ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, মাছের বাজারেও আমদানি বেশ কম দেখা গেছে, সেই সুযোগে বিক্রেতারা দামও হাঁকাচ্ছেন বেশ। এ দিন কৈ ২০০-২২০ টাকা, তেলাপিয়া বড় ২৬০, সরপুঁটি ৩০০, চিংড়ি ৫৫০-৯০০ টাকা, রুই ২০০-৪৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমে ১৭০ টাকা, পাকিস্তানী ৩০০ ও লেয়ার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। এ ছাড়া, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৩৯০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সূত্রঃ দ্য রিপোর্ট

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!