শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

আ.লীগ নেতা ফারুক হত্যা অভিযোগপত্র: এমপি রানা বাদ

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ২০ আগস্ট ২০১৫ - ১০:১৯:০৮ এএম

টাইমস বিডি ডটনেটঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যামামলায় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা ও তার ভাই পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তিকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ।

তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যে আটজনকে আসামি করে বুধবার আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছেন, তাতে রানা ও মুক্তির ভাই ছাত্রলীগের বিগত কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার নাম রয়েছে।

অন্য আসামিরা হলেন- শাহজাহান মিয়া, শফিকুর রহমান, সঞ্জিত ঘোষ, আজাদ ফকির, সুজন, ছানোয়ার ও রুজভেল। এ মামলার প্রধান আসামি সানিয়াত খান বাপ্পা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাংসদ আমানুর রহমান খান রানার ছোট ভাই।

তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির উপ-পরিদর্শক অশোক কুমার সিংহ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বাপ্পাকে প্রধান আসামি করে বুধবার টাঙ্গাইলের বিচার বিভাগীয় মুখ্য হাকিমের আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়।

তিনি আর জানান, শাহজাহান মিয়া, সুজন ও ছানোয়ার কারাগারে রয়েছেন। বাপ্পাসহ বাকি আসামিরা পলাতক।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর শহরের আকুরটাকুর বটতলা বাজারে গুলি চালিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় আওয়ামী লীগের টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সদস্য ফারুককে।

হত্যার পর টাঙ্গাইল মডেল থানায় অজ্ঞাত পরিচয়ের আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে ফারুকের পরিবার। ফারুকের স্ত্রী নাহার আহমেদেএক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, টাঙ্গাইলের প্রভাবশালী পরিবারের চার ভাই রানা, মুক্তি, জাহিদুর রহমান খান কাঁকন ও বাপ্পা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত।

ফারুক হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার খান পরিবারের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আনিসুল ইসলাম রাজা এবং মোহাম্মদ আলী গত বছর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে রানাদের চার ভাইকে জড়িয়ে বক্তব্য দেন বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন।

এরপর রানা ও মুক্তি এই মামলায় আগাম জামিন নিতে উচ্চ আদালতেও যান। তখন তাদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি না করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেয় আদালত।

এ বিভাগের জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!