শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

কুষ্টিয়ার অস্ত্রধারী চাকরিচ্যুত এএসআই, ওসি প্রত্যাহার

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১৬ আগস্ট ২০১৫ - ১২:৪৭:৫৬ পিএম

টাইমস বিডি ডটনেটঃ কুষ্টিয়ায় শোক দিবসের র‌্যালি শেষে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অস্ত্রধারী যে যুবককে দেখা গেছে তাকে নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। সংঘর্ষের সময় যে ব্যক্তিকে শটগানের গুলি ছুড়তে দেখা গেছে, তিনি পুলিশ থেকে বরখাস্ত হওয়া সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বলে জানা গেছে। তার নাম আনিচুর রহমান আনিচ। তিনি ঢাকার পল্লবী থানায় কর্মরত ছিলেন। এদিকে এই ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি আবদুল খালেককে রোবববার প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ওসি  জানান, অস্ত্রধারী ওই যুবক পুলিশের সাবেক এএসআই কিনা আমরা তদন্ত করে দেখছি।

জানা গেছে, অস্ত্রধারী পুলিশের সাবেক এএসআই আনিচ গুলি ছোড়ার সময় ওসি আবদুল খালেক কাছেই ছিলেন। তিনি ওই অস্ত্রধারীকে গ্রেপ্তারের কোনো উদ্যোগই নেননি। কুষ্টিয়া পুলিশের বিশেষ শাখার কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষে সবুজ নামের একজনের মৃত্যু হয়। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে ওসি কার্যকর ব্যবস্থা নিলে এ হত্যাকাণ্ড এড়ানো যেত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কুষ্টিয়ায় শোক র‌্যালি শেষে সংঘর্ষের সময় শটগান উচিয়ে যে ব্যক্তি গুলি ছুড়েন তার নাম আনিচুর রহমান ওরফে আনিচ। পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ছিলেন তিনি। ঢাকার পল্লবী থানায় থাকাকালে ফেনসিডিল আত্মসাতের দায়ে প্রায় দেড় বছর আগে তিনি চাকরিচ্যুত হন।

তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঢাকা ঝালুপাড়া । আনিচের বাবা মোশাররফ হোসেন মণ্ডল। চাকরিচ্যুত হওয়ার পর থেকে তিনি গ্রামেই থাকতেন। শনিবারের ওই ঘটনার পর আনিচকে আর এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। তার গ্রামের বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে এমন তথ্য জানা গেছে।
তবে যে শটগান দিয়ে গুলি ছোড়া হয়েছে সেটি শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মোমিজের বলে কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ দাবি করছে। পুলিশ জানিয়েছে, মোমিজের লাইসেন্স করা অস্ত্রটি উদ্ধারে তারা অভিযান চালাচ্ছে।

শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক মোমিনুর রহমান মোমিজ ছাড়াও জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ কয়েকজনের অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়া চলছে।
এলাকার বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোমিনুর রহমানের নিকট আত্মীয় আনিচুর। চাকরি যাওয়ার পর থেকে তিনি মোমিনুরের সঙ্গে চলাফেরা করেন।

শনিবার জাতীয় শোক দিবসে জেলা আওয়ামী লীগের র‌্যালি শেষে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সঙ্গে মোমিনুর রহমানের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এতে সবুজ হোসেন (২৪) নামে আওয়ামী লীগের এক সমর্থক নিহত হন।

রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল খালেক জানান, বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তিনি শুনেছেন আনিচ পুলিশের চাকরি করতেন। কিন্তু সুনির্দিষ্ট তথ্য তার কাছে নেই। তবে খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। এর চেয়ে বেশি কিছু বলতে রাজি হননি আবদুল খালেক।

পুলিশের খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি একরামুল হাবিব রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনা সম্পর্কে তিনি আশপাশের দোকানের মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যিনি শটগানের গুলি ছুড়েছেন তাকে পুলিশ খুঁজছে। ঘটনার সময় পুলিশের গাফিলতি ছিল কি না খতিয়ে দেখা হবে।

এ বিভাগের জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!