শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

চরম শিহরণ-সুখের উল্লাসে উৎসব এখন যৌনতার

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ২০ আগস্ট ২০১৫ - ০৭:২৫:০৮ এএম

টাইমস বিডি ডটনেট, ডেস্ক, ঢাকাঃ যৌনতার উৎসব৷ হোক না, ওই উৎসব মাত্র একদিনের জন্য৷ কিন্তু, উৎসব-ই তো! এবং, তাও আবার যৌনতার! শুধুমাত্র তাও নয়৷ ওই উৎসব আসলে, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের উল্লাসে মেতে ওঠার জন্য৷

কোনও কোনও মহলে এমন প্রসঙ্গও উঠতে পারে যে, যৌনতার জন্য আবার উৎসবের কী প্রয়োজন! অথবা, বছরের যে কোনও দিন তো বটেই, বছরের যে কোনও সময়েই তো মেতে ওঠা যায় যৌনতার ওই উৎসবে! তা হলে, বছরের বিশেষ একটি দিন কেন! কেন-ই-বা বিশেষ একটি দিনের প্রয়োজন? আসলে, বছরের বিশেষ একটি দিন স্থির করা হয়েছে যৌনতার সময় চরম শিহরণের সুখ প্রাপ্তির বিষয়টিকে মনে রেখেই৷ কেননা, এখনও অনেকে জানেন না যে, যৌনতায় কীভাবে, কোন উপায়ে মিলবে চরম শিহরণের সুখ৷

যদিও, যৌনতার এমন উৎসবকে কেন্দ্র করে যেমন পক্ষে অথবা বিপক্ষে যুক্তি-তর্কের অভাব হবে না৷ তেমনই আবার, যৌনতার উৎসবে মেতে ওঠার জন্য আদর্শ যুগলেরও অভাব হবে না৷ দুনিয়া অনেক বদলে গিয়েছে৷ এবং, দুনিয়া ক্রমে আরও বদলে চলেছে৷ আর, ওই বদলের হাত ধরেই, বদলে চলেছে যৌনতার সংজ্ঞাও৷ বদলে চলেছে যৌনসুখে মেতে ওঠার জন্য বয়সের সীমাবদ্ধতাও৷ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বহু মহিলা অথবা পুরুষের কাছে যৌনতা এখন আবার নির্দিষ্ট কোনও বয়সেও আবদ্ধ নেই৷ বরং, কীভাবে, কোন উপায়ে আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে যৌবন৷ কীভাবে, কোন উপায়ে আরও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে যৌনজীবন৷ এবং, যৌনতার রূপ-রস কীভাবে, কোন উপায়ে আরও বেশি সময় উপভোগের হতে পারে, তেমন নানা বিষয়ে ক্রমে বেড়ে চলেছে আগ্রহ৷ এমন আগ্রহ অবশ্য তাঁদের ক্ষেত্রে বেশি রয়েছে, যাঁরা আসলে যৌনরসিক৷

স্বাভাবিকভাবেই, বিভিন্ন রকম-ধরনের বদলের সৌজন্যেও আবার আবির্ভাব ঘটেছে যৌনতার ওই উৎসবের৷ যাঁরা টেকস্যাভি অথবা ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, তাঁদের অনেকের কাছেই এখন অজানা নয় যে, যৌনতার ওই উৎসবে মেতে ওঠার জন্য বছরের বিশেষ দিনটি হল ৩১ জুলাই৷ তবে, যৌনতার উৎসবে মেতে ওঠার জন্য কে অথবা কারা বিশেষ দিন হিসেবে ৩১ জুলাইকে নির্দিষ্ট করেছেন, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সঠিক তথ্য মেলেনি৷ তেমনই, এটাও আবার অস্বীকারের নয় যে, ৩১ জুলাই কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের যৌনরসিকদের কাছে ক্রমে আরও বেশি সমাদৃত হচ্ছে৷ এবং, যে কারণে, গত কয়েক বছর ধরে, ৩১ জুলাই যৌনতার উৎসবে মেতে উঠছেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বহু যুগল অথবা মহিলা কিংবা পুরুষ৷

কোনও কোনও মহল থেকে এমনটাও বলা হচ্ছে যে, কোনও সেক্স টয় অথবা কনডোম প্রস্তুতকারী সংস্থার তরফে নির্দিষ্ট করা হয়েছে ৩১ জুলাইকে৷ ওই সংস্থার মনোভাব, ৩১ জুলাই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পালিত হোক যৌনতার উৎসব৷ এবং, ওই উৎসবে মেতে উঠুন যৌনরসিকরা৷ কিন্তু, যাঁরা যৌনরসিক নন? এই বিষয়টিও যে ভাবা হয়নি, তাও নয়৷ যাঁরা যৌনরসিক নন, তাঁরাও যাতে অনুভব করতে পারেন যৌনতার ওই উৎসবের মাহাত্ম্য, তার জন্যেও জারি রয়েছে প্রচেষ্টা৷ কেননা, যৌনতার উৎসবে মেতে ওঠার মানে-ই যে শুধুমাত্র দুই সঙ্গীর শারীরিক মিলন, তাও নয়৷ সমীক্ষা বলছে, শারীরিক মিলন ছাড়াও হতে পারে যৌনতা৷ এবং, শারীরিক মিলন হোক অথবা অন্য কোনও উপায়ে, যৌনতার আসল বিষয় হল, চরম শিহরণের সুখ মিলছে কি না৷ এমনই বিভিন্ন বিষয়কে মাথায় রেখেই, ৩১ জুলাইকে এখন বলা হচ্ছে ন্যাশনাল অর্গ্যাজম ডে৷

তবে, বছরের বিশেষ দিন হিসেবে ৩১ জুলাইকে যে বা যাঁরা-ই নির্দিষ্ট করে দিন না কেন, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের উল্লাসে মেতে ওঠার এমন সুযোগ কিন্তু হাতছাড়া করতে চাইছেন না বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বহু মহিলা-পুরুষ৷ তেমনই আবার, যৌনতায় মেতে ওঠা মানেই যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই যুগলের-ই প্রয়োজন, তাও নয়৷ কেননা, এ ক্ষেত্রেও বদলে চলেছে ধারণা৷ এবং, বদলে চলা ওই ধারণার সৌজন্যেও, শুধুমাত্র কোনও যুগলও নয়৷ মহিলা হোক অথবা পুরুষ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা কোনওমতেই যৌনতায় মেতে ওঠার এমন সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না৷ এবং, যে কারণেও আবার, বছরের ওই নির্দিষ্ট দিনের জন্য হয় জোগাড় করে নিচ্ছেন সঙ্গী, নয়তো, নিজের মতো যৌনতার উৎসবে তাঁরা মেতে উঠছেন৷

নিজের মতো যৌনতার উৎসবে মেতে ওঠার জন্য অবশ্য অন্যতম উপায় হিসেবে প্রাধান্য পাচ্ছে হস্তমৈথুনের বিষয়টি৷ এবং, বদলে চলা দুনিয়ায় যেমন ক্রমে বেড়ে চলেছে আরও বেশি যৌন-শিহরণের চরম সুখ প্রাপ্তির বিষয়টি, তেমনই আবার বদলে চলেছে হস্তমৈথুনের রকম-ধরনও৷ যে কারণেও, দীর্ঘ সময়ের হস্তমৈথুনের বিশ্ব রেকর্ডের বিষয়ে জানলে, চমকে উঠতে পারেন যৌনরসিক কোনও পুরুষ অথবা মহিলাও৷ অথবা, বিষয়টি এতটাই ঈর্ষণীয় যে, তাঁদের মনে জ্বালাও ধরাতে পারে৷ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চরম যৌন শিহরণের সুখের জন্য একজন মহিলা ছ’ঘন্টা ৩০ মিনিট ধরে হস্তমৈথুনে লিপ্ত ছিলেন৷ অন্যদিকে, ওই একই লক্ষ্যে, একজন পুরুষ হস্তমৈথুনে লিপ্ত ছিলেন আট ঘন্টা ৩০ মিনিট৷ তবে, এত দীর্ঘ সময় ধরে কীভাবে, কোন উপায়ে ওই মহিলা অথবা পুরুষ লিপ্ত ছিলেন হস্তমৈথুনে, তা অবশ্য প্রকাশ্যে আসেনি৷

অথচ, যৌনতার ওই উৎসবে মেতে ওঠার বিষয়টি এখনও তেমন অবস্থায় পৌঁছয়নি যে, তার জন্য ছুটি মিলতে পারে৷ তাই বলে কি এমন উৎসব মাটি হয়ে যেতে পারে! যদি, অফিস অথবা অন্য কোনও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয় ৩১ জুলাই, তা হলে কি যৌনতার চরম শিহরণ-সুখের উল্লাস থেকে বঞ্চিত হতে হবে! তা হলে, কী করবেন যৌনরসিকরা? উপায়-ই বা কী?  তবে, মন খারাপেরও কোনও কারণ নেই৷ কেননা, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের যৌনরসিক বহু মহিলা-পুরুষ এমনও বলছেন যে, অফিসে ছুটির ব্যবস্থা করতে না পারলে অথবা কাজে ব্যস্ত থাকতে হলে, সময় বের করে সুযোগ মতো মেতে উঠুন যৌনতার উৎসবে চরম শিহরণের সুখ প্রাপ্তির জন্য৷ এবং, যে কারণে আবার কোনও কোনও মহলে এমন রসিকতাও চলছে যে, খেয়াল রাখতে হবে, যৌনতার উৎসবে মেতে উঠতে গিয়ে যেন অফিসে বসের নজরে পড়ে যেতে না হয়!

সমীক্ষা বলছে, শারীরিক মিলন ছাড়াও হতে পারে যৌনতা৷ এবং, এমন ক্ষেত্রেও মিলতে পারে যৌনসুখের চরম শিহরণ৷ তবে, যেমন-ই অথবা যেভাবেই হোক না কেন, অন্যতম বিষয় হল, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের প্রাপ্তি হচ্ছে কি না৷ যৌনসুখে চরম শিহরণের উল্লাসে মেতে ওঠা সম্ভব হচ্ছে কি না৷ এবং, যৌনতার উৎসবে মেতে ওঠা অর্থাৎ, ন্যাশনাল অর্গ্যাজম ডে-র অন্যতম উদ্দেশ্যই হল, যৌনসুখের চরম শিহরণ প্রাপ্তি৷ যদিও, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের প্রাপ্তির বিষয়ে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন রকমের ধারণাও রয়েছে৷ এবং, ওই সব ধারণার মধ্যে আবার কোনও কোনও ক্ষেত্রে যুক্ত রয়েছে ভ্রান্ত ধারণাও৷ শুধুমাত্র তাই নয়৷ যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের বিষয়েও এখনও সেভাবে অবগত নন বহু যুগল অথবা মহিলা কিংবা পুরুষ৷ অথচ, এ দেশ কামসূত্রের৷ কিন্তু, এমন হলেও কী হবে!  যৌনতা তথা যৌনজীবন নিয়ে এখনও সমাজের বিভিন্ন অংশের মধ্যেই রয়েছে নানা রকমের ছুঁতমার্গ৷

তবে, যাঁরা যৌনরসিক, তাঁদের উপরে অবশ্য তথাকথিত ছুঁতমার্গ কোনও ছায়া-ও ফেলতে পারে না৷ কেননা, সমাজের বিভিন্ন অংশের ওই সব ছুঁতমার্গকে যৌনরসিকরা আসলে তেমন কোনও পাত্তা-ও দেন না৷ তেমনই আবার, যৌনতার উৎসব৷ তাও আবার, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের উল্লাসে মেতে ওঠার এ হেন উৎসবে পিছিয়ে থাকে কী করে কলকাতা! না কি, পিছিয়ে থাকতে পারে এই মহানগরী! কাজেই, যাঁরা জানেন ৩১ জুলাই-কে, তাঁরা অবশ্য হাতছাড়া করেননি ওই সুযোগ৷ তেমনই, এমনও হয়েছে, যাঁরা জানতেন না অথচ ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন, পরের বছরের জন্য তাঁরা প্রস্তুত হচ্ছেন৷ তাই বলে এক বছরের অপেক্ষা!

মোটেও নয়৷ দু’-একদিন পেরিয়ে গিয়েছে তো কী হয়েছে!  ৩১ জুলাইকে মনে রেখে, ইতিমধ্যেই তাঁদের অনেকে আবার মেতে উঠেছেন যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের উল্লাসে৷ তবে, কোনও এক যুগলের মধ্যে, কোনও মহিলা অথবা পুরুষের সঙ্গীও যে তাঁর-ই মতো সমান যৌনরসিক হবেন, তাও নয়৷ কাজেই, শুধুমাত্র তো আর যৌনতার উৎসবে মেতে উঠে চরম শিহরণ-সুখের উল্লাসে ভেসে যাওয়ার স্বপ্ন দেখলেও চলবে না! কোনও এক যৌনরসিকের সঙ্গীকেও তো তেমনই হতে হবে৷ না হলে, হবে কীভাবে যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের উল্লাস! কাজেই, এমনও হচ্ছে যে, সঙ্গীকে বোঝাতে সমর্থ না হলে, উপায় হিসেবে বেছে নেওয়া হচ্ছে অন্য কোনও পথ৷

সমীক্ষায় প্রকাশ, মহিলা হোক অথবা পুরুষ, এমন অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা সঙ্গীর সঙ্গে শারীরিক মিলনে অংশ নিলেও সঠিকভাবে জানেন না যে, কীভাবে অথবা কোন উপায়ে মিলতে পারে চরম যৌন শিহরণের সুখ৷ অপেক্ষা থাকে, অথচ, তাঁরা সেভাবে জানেন না যে, কীভাবে অথবা কোন উপায়ে পৌঁছনো সম্ভব যৌনতার চরম রোমাঞ্চিত পর্বে৷ যে পর্বে পৌঁছনো সম্ভব হলেই মিলবে যৌনতায় চরম শিহরণের সুখ৷ সমীক্ষায় প্রকাশ, বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কারণে ৪.৭ শতাংশ মহিলা যৌনতায় চরম শিহরণের সুখ থেকে বঞ্চিত থাকেন৷ ৩১ জুলাই ন্যাশনাল অর্গ্যাজম ডে-কে মনে রেখে ফেমিনিস্টা জোনস তাঁর ব্লগে এমন লিখেছেন, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের প্রাপ্তি কে না চান৷ তবে, এটাও সত্যি যে, কখনোই চরম যৌন শিহরণের সুখ পাননি ১০-১৫ শতাংশ মহিলা৷

কেন? ফেমিনিস্টা জোনস-এর ব্লগে বলা হয়েছে, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের বিষয়টি জানেন-ই না ওই সব মহিলা৷ শুধুমাত্র তাই নয়৷ এই বিষয়ে যে তাঁদের বোঝানো হবে, তাও সম্ভব নয়৷ কেননা, তাঁদের ধারণা নেই যে, চরম যৌন শিহরণের সুখ আসলে ঠিক কেমন অনুভূতি৷ তার উপর, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের জন্য কোনও লক্ষ্য-ও নেই ওই সব মহিলার৷ এখানেও আবার শেষ নয়৷ ফেমিনিস্টা জোনস-এর ব্লগে এমনও বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে এক সমীক্ষায় প্রকাশ, শারীরিক মিলনের সময় ৭৫ শতাংশ মহিলা চরম যৌন শিহরণ-সুখের সমস্যায় ভোগেন৷ কোনও কোনও ক্ষেত্রে ওরাল সেক্স এবং সেক্স টয়ের ব্যবহার না হওয়ার কারণেও চরম যৌন শিহরণ-সুখের জন্য সমস্যা দেখা দেয়৷ যৌনতায় কীভাবে মিলতে পারে চরম শিহরণের সুখ, তার জন্য সঙ্গীকে তাঁদের বোঝাত হবে যে, কী চাইছেন ওই মহিলারা৷ যৌনতার সময় কী, কী করণীয় এবং কী, কী করণীয় নয়, সে সবও তাঁদের সঙ্গীকে বোঝাতে হবে ওই সব মহিলাকে৷

নিয়মিত যৌনতা এবং চরম যৌন শিহরণের সুখ প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত ওই সব মহিলাকে আবার মন খারাপ না করার বার্তাও দিয়েছেন ফেমিনিস্টা জোনস৷ তিনিও মহিলা৷ এবং, তিনি মনে করেন, যৌনতার সময় চরম শিহরণের সুখের জন্য প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ এখনও ওই সব মহিলার হাতছাড়া হয়নি৷ অর্গ্যাজম অর্থাৎ, চরম যৌন শিহরণ-সুখের মুহূর্তে বেড়ে যাবে হৃদস্পন্দন এবং আরও দ্রুত আর ঘন হবে শ্বাস-প্রশ্বাস৷ শুধুমাত্র তাই নয়৷ আরও অনেক কিছু রয়েছে৷ সাড়ে তিন হাজার মানুষের উপর সমীক্ষা করেছিলেন ব্রিটেনের রয়্যাল এডিনবার্গ হাসপাতালের ওল্ড এজ সাইকোলজি বিভাগের প্রাক্তন প্রধান তথা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ডেভিড উইকস৷ ওই সমীক্ষায় প্রকাশ, যাঁরা যত বেশি চরম যৌন শিহরণের সুখ উপভোগ করেছেন, তাঁদের তারুণ্য তত বেশি প্রকাশ পেয়েছে৷ একজন মহিলা অথবা পুরুষকে কত বেশি যুবতী অথবা যুবক দেখাবে, সেই বিষয়টিও নির্ভর করছে চরম যৌন শিহরণ-সুখের প্রতি ওই মহিলা অথবা পুরুষের আগ্রহের উপর৷ এখানেও শেষ নয়৷

বয়স যত বেশি হবে, চরম যৌন-শিহরণের সুখও তত বেশি উপভোগের হবে৷ লেলো গ্লোবাল সেক্স-এর সমীক্ষায় প্রকাশ, যৌনতায় চরম শিহরণ-সুখের পরিপূর্ণ তৃপ্তি উপভোগ করেন মাত্র চার শতাংশ মহিলা৷ এবং, ৩১ শতাংশ ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ ওই তৃপ্তি উপভোগ সম্ভব হয় শারীরিক মিলনের মাধ্যমে৷ ওই সমীক্ষায় প্রকাশ, বেশি বয়সের মহিলারা অনেক বেশি মাত্রায় উপভোগ করেন চরম যৌন-শিহরণের সুখ৷ ৬০ বছরের বেশি বয়সি মহিলাদের উপর করা ওই সমীক্ষায় প্রকাশ, ওই মহিলাদের ৭৫ শতাংশের দাবি, তাঁদের জীবনে সব থেকে বেশি চরম যৌন শিহরণের সুখ উপভোগ করেছেন তাঁরা এই বয়সে৷ এবং, চরম যৌন শিহরণের সুখ সব থেকে বেশি তাঁরা উপভোগ করেছেন শারীরিক মিলনের মাধ্যমে৷

শুধুমাত্র তাই-ও নয়৷ এক ঘন্টায় ১০০ বার-ও চরম যৌন শিহরণের সুখ উপভোগ করতে পারেন মহিলারা৷ তবে, সব মহিলা নন৷ দ্য ফান্ডামেন্টালস অফ সেক্স-এর লেখক তথা গবেষক ক্যাথ্রে অ্যান্ড কোল-এর দাবি, কোনও কোনও মহিলা প্রতি ০.৬ মিনিট অন্তর অর্থাৎ, এক ঘন্টায় ১০০ বার পর্যন্ত চরম যৌন শিহরণের সুখ উপভোগ করতে পারেন৷ তবে, লেলো গ্লোবাল সেক্স-এর সমীক্ষায় প্রকাশ, মৈথুনের সময় একসঙ্গে চরম যৌন শিহরণের সুখ পেতে চান না অধিকাংশ যুগল৷ ৬৯ শতাংশ মহিলার দাবি, শারীরিক মিলনের সময় তাঁরা চরম যৌন শিহরণের সুখ উপভোগ করতে পারেন না৷ তবে, কোনও কোনও ক্ষেত্রে উপভোগও করেন তাঁরা৷ তবে, সেই কোনও কোনও ক্ষেত্রটি আবার বিরল৷

কাজেই, এমন নানা বিষয়েও যৌনরসিকরা যাতে আরও সচেতন হন, তার জন্যেও ন্যাশনাল অর্গ্যাজম ডে-র গুরুত্ব রয়েছে বলে জানানো হচ্ছে৷ কেননা, অর্গ্যাজম অর্থাৎ, যৌনতায় চরম শিহরণের পর্যায়ে পৌঁছনো সম্ভব হলে, তার সৌজন্যে আবার আরও নানা রকমের সুফল মেলারও সম্ভাবনা রয়েছে৷ যার মধ্যে রয়েছে, নানা রকম এবং ধরনের মানসিক চাপ থেকে মুক্তি, বয়সকে দমিয়ে রাখা অর্থাৎ, আরও দীর্ঘ তারুণ্য তথা যৌনজীবন৷ শুধুমাত্র তাই-ই নয়৷ নিয়মিত চরম যৌন শিহরণের সুখ প্রাপ্তির জেরে যেমন ভালো ঘুম হয়, তেমনই আবার ওই চরম সুখের জন্য শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতাও বেড়ে যায় বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় জানানো হচ্ছে৷

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!