শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

জাবিতে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৬৬তম জন্মজয়ন্তী

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১৯ আগস্ট ২০১৫ - ০৯:৫৪:৪৯ এএম

জাহিন রিয়াজ, জাবি, সাভার: রবীন্দ্রত্তোর বাংলা নাটকের অন্যতম পুরোধা বিখ্যাত নাট্যাচার্য ড. সেলিম আল দীনের ৬৬তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে নাট্যাচার্যের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা। মঙ্গলবার সকালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন কলা ভবন থেকে একটি র‌্যালী বের হয়ে নাট্যাচার্যের সামাধিস্থলে যায়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জাবির ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম তার সমাধিস্থলে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বলেন, নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনকে স্মরণীয় করে রাখতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তার সমাধিস্থলে একটি শহীদ মিনার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সেলিম আল দীনের স্ত্রী বেগমজাদী মেহেরুন্নেসা সেলিম বলেন, সুন্দর লেখনির মাধ্যমেই সেলিম সুনাম কুড়িয়েছিলেন। তার সর্বশেষ লেখাগুলো সমাপ্ত করার জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তার জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজনের করেছে। ড. সেলিম আল দীন ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট, ফেনী জেলার সেনেরখিলে জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে পড়াশোনা করেন তিনি। তিনি দীর্ঘদিন ঢাকা ও টাঙ্গাইলে ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে জাবিতে যোগ দেয়ার পর সেখানেই আমৃত্যু বসবাস করেছেন। ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারী ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা যান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগটি প্রতিষ্ঠিত হয় তার উদ্যোগেই। বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে এটিই নাট্য শিক্ষার প্রথম উদ্যোগ। দেশীয় আঙ্গিকের নাটকের ধারা সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে গ্রাম থিয়েটার নামে একটি নাট্যদল গঠন করেছিলেন তিনি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্য ল্যাবরেটরিতেও তার নাটক অভিনীত হয়েছে। কলকাতার বহুরুপী থিয়েটার তার একটি নাটক মঞ্চস্থ করেছে। নাটকগুলোর মধ্যে কীত্তনখোলা, চাকা, হাতহদাই, কেরামতমঙ্গল, যৈবতী কন্যার মন, মুনতাসীর, চাকা, প্রাচ্য, বনপাংশুল বিশেষভাবে আলোচিত। এছাড়া তিনি লিখেছেন কথানাট্য, পাচালি প্রভৃতি আঙ্গিক চর্চার পাশাপাশি একাধিক প্রবন্ধ, গবেষণা প্রবন্ধ। মঞ্চ নাটক ছাড়াও বাংলাদেশ টেলিভিশনের জন্য প্রচুর টিভি নাটক লিখে গেছেন তিনি।

এ বিভাগের জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!