শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

‘নিজেকেই তাদের বুকের মাপ নিয়ে ব্রা পেন্টি বিক্রি করতে হয়’

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ০৭ আগস্ট ২০১৫ - ০৪:০০:৫৩ পিএম

টাইমস বিডি, ডেস্ক, ঢাকা : আমাদের সমাজে যৌনতা একটি ট্যাবু। তাই দেখা যায় ঔষধের দোকানে কনডম কিনতে গিয়ে সংকোচবোধ করেন অনেকেই। লজ্জায় লাল হয়ে যান। বেশি মানুষ থাকলে আর কনডম কেনা হয় না। ঠিক তেমনি ব্রা-পেন্টির দোকানে মেয়েরাও ব্রা-পেন্টি কিনতে গেলে লজ্জা বোধ করেন। অথচ সেইসব দোকানে পুরুষরাই বিক্রেতা।

সেখানে মেয়েদের লজ্জা পাওয়া অতি স্বাভাবিক। কিন্তু না সময় পাল্টেছে। মেয়েরা এখন সহজেই তার প্রয়োজনীয় জিনিসটি কিনে নিতে পারেন। তেমনি একজন মেয়েদের আন্ডার গার্মেন্টস বিক্রেতা হচ্ছেন হিরু ব্যাপারী। তার বয়স ৩৫। তিনি ঢাকার নিউ সুপার মার্কেটের দোতালায় ব্রা পেন্টি বিক্রি করেন। এক যুগ ধরে তিনি এই ব্যাবসার সঙ্গে জড়িত আছেন। এই বিষয়ে বিভিন্ন অভিজ্ঞতা নিয়ে আলাপ হয় তার সঙ্গে।

প্রশ্ন: আপনিতো অনেক বছর ধরে এই ব্রা-পেন্টি বিক্রি করে আসছেনৃ
হিরু: আমি প্রথমে নিউ মার্কেটের সামনের ফুটপাতেই এই ব্যবসা শুর করি। এভাবেই শুরু।এরপর একে একে সুপার মার্কেটে আমার তিনটা আন্ডার গার্মেন্টসের দোকান হয়।এই ব্যবসা করেই আমার সংসার চলে।

প্রশ্ন: মেয়েরা আপনার কাছ থেকে তাদের আন্ডার গার্মেন্টস কিনতে এসে কি লজ্জা পান?

হিরু: না, তা কেন হবে। তারা খুব সহজেই কিনতে আসেন। তবে তাদের সঙ্গে থাকা ভাবি বা ননদ বা মা মেয়েরা লজ্জা পান।

প্রশ্ন: এই মার্কেটে মেয়েদের আন্ডার গার্মেন্টসের কতগুলো দোকান আছে?
হিরু: এই সুপার মার্কেট, চাঁদনী চক, গাউছিয়া মিলে প্রায় শ’খানেক দোকান আছে।

প্রশ্ন: আপনার দোকানে কোন ধরনের ক্রেতা বেশি আসেন?
হিরু: সব ধরনের ক্রেতাই আসেন, তবে বিশেষ করে একটু উচ্চ শ্রেণীর নারীরাই বেশি আসেন।

প্রশ্ন: কোন বয়সী ক্রেতা বেশি আসেন
হিরু: বেশির ভাগ স্টুডেন্ট, মধ্যবয়সী, এবং মায়েরা বেশি আসেন। অনেকেই লজ্জার কারণে আসেন না। তখন তাদের মায়েরাই ব্রা পেন্টি কিনে নিয়ে যান। মাঝে মধ্যে পুরুষ ক্রেতাও আসেন।

প্রশ্ন: বেচা কেনা কেমন হয়ৃ
হিরু: এবার ব্যবসা খুবই খারাপ। তবে আমার একার না, সবার একই অবস্থা।

প্রশ্ন: প্রতিদিন কত টাকা বিক্রি হয়?
হিরু: এখন তো অবস্থা খারাপ, তাই খুব বেশি বিক্রি হয় না। তবে গড়ে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা বিক্রি হয়।

প্রশ্ন: এই ব্যবসা নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতা জানতে চাইৃ
হিরু: বিভিন্ন মেয়েরা আসেন যারা তাদের বুকের মাপ জানেন না, তখন আমার নিজেকেই তাদের বুকের মাপ নিয়ে ব্রা পেন্টি বিক্রি করতে হয়।

প্রশ্ন: তখন কি লজ্জা লাগে?
হিরু: প্রথম প্রথম লজ্জা পেতাম, এখন আর পাই না। এখন মেয়েরাও লজ্জা পায়না।

প্রশ্ন: কি কি ধরনের ব্রা পেন্টি আপনার এখানে পাওয়া যায়?
হিরু: সব ধরনের পেন্টিই এখানে চলে, বাংলা, চায়না, থাই এবং ইন্ডিয়ান। তবে চায়না আর ইন্ডিয়ান প্রোডাক্টই বেশি চলে।

প্রশ্ন: এগুলোর দাম কি রকমৃ
হিরু: ১০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে সব ধরনের ব্রা পেন্টিই এখানে রয়েছে। আর ভালোগুলোই বেশি চলে।

প্রশ্ন: কোন কোন সাইজের ব্রা পেন্টি হয়?
হিরু: সাধারণত ৩২ থেকে ৪৪ সাইজের ব্রা ও স্মল, মিডিয়াম, লার্জ ও এক্সট্রা লার্জ সাইজের পেন্টি পাওয়া যায়।

প্রশ্ন: ব্রা-পেন্টি বিক্রি করার ফলে সামাজিকভাবে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে হয় কিনাৃ

হিরু: কেউ জিজ্ঞেস করলে বলি কাপড়ের ব্যবসা করি। এতে খুব বেশি সমস্যা হয় না। বিষয়টাকে সহজভাবে দেখলেই হয়।

প্রশ্ন: আপনাকে ধন্যবাদ।
হিরু: আপনাকেও ধন্যবাদ। জীবনের প্রথম এ বিষয়ে কেউ আমার সাক্ষাৎকার নিলো।-ওয়েবসাইট

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!