শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

ফের মেঘনার ভাঙন, ৩ দিনে বিলীন ৪শ’ মি.

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ২২ আগস্ট ২০১৫ - ০৮:৪৬:০৭ এএম

টাইমস বিডি ডটনেট: ভোলা সদরের ইলিশা ইউনিয়নের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকা থেকে তালতলী লঞ্চঘাট পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নতুন করে ভাঙতে আবার শুরু হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নদীর উপকূলবর্তী মানুষজন।

গত ৩ দিনে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি ও দোকানপাট মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে নতুন ফেরিঘাট, তালতলী লঞ্চঘাট, পুরাতন ফেরিঘাট সড়কসহ হাজার হাজার ঘরবাড়ি।

নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও বড় ধরনের স্রোতের ঘোল সৃষ্টি হওয়ায় এ ভাঙন বেড়েছে বলে এলাকাবাসী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। যার ফলে ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন মানুষ। তবে, ভাঙন রোধে সাধ্য মতো কাজ করে যাচ্ছে পাউবো।

ইলিশা ইউনিয়নের তালতলী লঞ্চঘাটের ইজারাদার প্রতিনিধি ইউসুফ জানান, বর্ষায় তীব্র ভাঙন শুরু হলেও গত ২দিন ধরে আকস্মিক ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনের তীব্রতা অব্যাহত থাকলেও দু’একদিনের মধ্যে লঞ্চঘাট বিলীন হয়ে যাবে।

ভাঙন কবলিত এলাকার মৎস্য আড়ৎদার খোকন মোল্লা জানান, হঠাৎ করেই ভাঙন বেড়েছে। দু’দিনে ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়েছে গেছে অন্তত ৪শ মিটার এলাকা।

ইলিশা ইউনিয়নের ফেরিঘাট এলাকা থেকে এখন তালতলী পর্যন্ত ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে, চড়ার মাথা পয়েন্ট দিয়ে ভাঙন রোধে পাউবো জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ করলেও বন্ধ হচ্ছে না এ ভাঙন।

নদীর এ ভাঙন অব্যাহত থাকলে ৩টি মৎস্য আড়ৎ, জংশন বাজার, ২টি মসজিদ, শত শত ঘরবাড়ি, বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিলীন হয়ে যাবে। এতে হুমকির মুখে পড়বে ভোলার ৬টি ইউনিয়নসহ জেলা সদর। যে কোনো মুহূর্তে প্লাবিত হতে পারে পুরো এলাকা।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম জানান, ভাঙন রোধে ৩২০ মিটার এলাকায় বালু ভর্তি জিও ব্যাক ডাম্পিং করা হচ্ছে এবং আরো ৮০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে হবে। তবে নদী যে হারে ভাঙছে তাতে ৫ থেকে ৬শ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে হবে।

তিনি জানান, ভাঙন রোধ না হওয়ায় পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড সব ধরনের পদক্ষেপ নিবে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!