শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

সেপ্টেম্বরে দেশজুড়ে ইন্টারনেট উৎসব

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১০ আগস্ট ২০১৫ - ১২:২৬:৪৩ পিএম

টাইমস বিডি ডটনেট, ডেস্ক, ঢাকাঃ রতিবছর ১ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হচ্ছে ‘বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫’। বড় তিনটি এক্সপোসহ বাংলাদেশের ৪৮৭টি উপজেলায় একযোগে পালিত হবে দেশের সর্ববৃহৎ এই ইন্টারনেট উৎসব। এতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স কোম্পানি, মোবাইল অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট প্রতিষ্ঠান, ওয়েব পোর্টাল, ডিভাইস কোম্পানিসহ ইন্টারনেটভিত্তিক পণ্য ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। থাকবে নানা আয়োজন।

আগামী ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর হতে যাওয়া এই উৎসব আয়োজন করছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), গ্রামীণফোন এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।

সোমবার রাজধানীর দ্য ওয়েস্টিনের বলরুমে ‘বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক’ উপলক্ষে আয়োজিত ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে এসব কথা জানানো হয়। বেসিস সভাপতি শামীম আহসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

বক্তব্য রাখেন গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ এর আহ্বান রাসেল টি আহমেদ। এছাড়া বেসিসের সহ-সভাপতি এম রাশিদুল হাসান, মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, যুগ্ম-মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, কোষাধ্যক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশ, পরিচালক আশ্রাফ আবির, সামিরা জুবেরি হিমিকা, আরিফুল হাসান, নির্বাহী পরিচালক সামি আহমেদসহ গ্রামীণফোন ও আইসিটি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সরকার দেশের ইন্টারনেটের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণের দোরগোড়ায় তথ্যপ্রযুক্তির সেবা পৌঁছে দিতে ২০১৮ সাল নাগাদ প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যন্ত দ্রুতগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এছাড়া ইন্টারনেট ব্র্যান্ডউইথের দাম তুলনামূলকভাবে অনেক সাশ্রয়ী করা হয়েছে। বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইকের মাধ্যমে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের কার্যক্রম ত্বরান্বিত হবে। বিশ্বে একসঙ্গে প্রায় ৪৮৭ জায়গায় এ ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজনের নজির এখনও নেই। সরকারি-বেসরকারি যৌথ এই আয়োজন দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করি।

বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান বলেন, সারাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম ৪৮৭টি উপজেলায় একযোগে বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক আয়োজন করা হচ্ছে। এই আয়োজনে বেসিসের সদস্যভুক্ত কোম্পানিসহ বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা সাধারণের সামনে তুলে ধরতে পারবো। এতে একদিকে যেমন সাধারণ জনগণকে ইন্টারনেটের প্রতি আগ্রহী করা হবে, অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবার প্রসার বাড়বে।

গ্রামীণফোনের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাত্রায় ইন্টারনেট এখন একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপকরণ। বেসিসের ‘ওয়ান বাংলাদেশ’ ভিশন ও গ্রামীণফোনের ‘ইন্টারনেট ফর অল’ প্রোগ্রামের অন্যতম লক্ষ্য সারাদেশে ৫ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তৈরিতে বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। যৌথভাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান অত্যন্ত সফল এবং জাকজমকভাবে হবে বলে আমি প্রত্যাশা করি।

বেসিসের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক ২০১৫ এর আহ্বায়ক রাসেল টি আহমেদ বলেন, আগামী ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর হতে যাওয়া এই উৎসবে অংশ নেবে ই-কমার্স, ওয়েবপোর্টাল, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ও সারাদেশের স্থানীয় মোবাইল ভিত্তিক উদ্যোগ। সারা সপ্তাহজুড়ে এসব উদ্যোগ প্রচার ও প্রদর্শন করা হবে। দর্শনার্থীরা এসব সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সরাসরি দেখতে ও জানতে পারবেন।

আয়োজকরা জানান, ইন্টারনেট উৎসবের অংশ হিসেবে প্রায় অর্ধশত বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার এবং দেশের গনমাধ্যমগুলোতে অন্তত ৭টি পলিসি বৈঠকের আয়োজন করা হবে। আর এর মাধ্যমে ইন্টারনেট প্রবৃদ্ধির হার বাড়িয়ে প্রতিবছর নূণ্যতম ১ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক বাড়ানো, সাধারণ জনগণকে আরো বেশি অনলাইন সেবার আওতায় আনাসহ তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটভিত্তিক উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিতকল্পে এগিয়ে যাওয়াও এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ৫ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বনানী মাঠে, ৯ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর নানকিন বাজারে ও ১১ সেপ্টেম্বর সিলেটের সিটি ইনডোর স্টেডিয়ামে বৃহৎ পরিসরে বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইক আয়োজন করা হবে। এছাড়া ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর দেশের ৪৮৭টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে একযোগে এই উৎসব পালন করা হবে।

বাংলাদেশ ইন্টারনেট উইকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.bangladeshinternet.org ও ফেসবুক পেজ www.facebook.com/BDInternetWeek থেকে এই উৎসব সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ বিভাগের জনপ্রিয় খবর

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!