শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

হাসিনার অধীনে নির্বাচনে রাজি হলে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ০৪ আগস্ট ২০১৫ - ০৩:৪২:০৬ পিএম

টাইমস বিডি ডটনেট, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে ২০১৯ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে বিএনপি রাজি হলেই আলোচনায় বসতে পারে সরকার। তবে সেই আলোচনা এখনই নয়। নির্বাচনের আগে এই আলোচনা হতে পারে। সেখানে বিএনপি এখন সংসদে না থাকলেও যদি তারা নমনীয় হয় তাহলে প্রয়োজন হলে আলোচনার প্রেক্ষিতে বিএনপির ৫-৭ জন নেতাকে টেকনোক্রেট কোটায় নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রী করা হতে পারে। কিন্তু বিএনপি যদি নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে সরকার প্রধান হিসাবে মেনে নিয়ে নির্বাচনে যেতে না চায় ও এখনকার দাবিতে অটল থাকে তাহলে সরকার কোন রকম সমঝোতা করতে রাজি নয়। এমনিক কোন আলোচনা করবে না। বিএনপি যদি আগামী নির্বাচনে নাও আসে তবুও না। এই তথ্য জানা গেছে, সরকারের একজন নীতি নির্ধারকের কাছ থেকে।
বিএনপির সূত্র জানায়, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত একাদশ সংসদ নির্বাচন চান। তবে সেটা শেখ হাসিনার অধীনে নয়। দুই দল এই ইস্যুতে এখনও অনঢ় অবস্থানে রয়েছে। এই কারণে আগামী দিনে সংকটের সমাধানের সম্ভাবনা এখনও দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
0খালেদা জিয়া নির্বাচনকালীন সরকারে শেখ হাসিনার মাইনাস চান। তিনি মনে করেন, কোন ভাবেই শেখ হাসিনা ও তার নেৃত্বতাধীন সরকারের অধীনে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হবে না। নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু করতে হলে শেখ হাসিনাকে ওই সময়ের সরকার থেকে সরতে হবে। এটা রাজি হলে সংলাপের আলোচনাও ফলপ্রসু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিএনপির সূত্র জানায়, সরকার যতই সংবিধানের দোহাই দিক না কেন সেটাতে তাদের পরিবর্তন আনতেই হবে। এটা তারা স্বাভাবিকভাবে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে ও সমঝোতা করে করলেই ভাল হবে। না হলে পরে চাপের মুখেই করতে হবে। শেখ হাসিনা সরকারের প্রধান থাকলে বিএনপি আগামী নির্বাচনেও অংশ নিবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
যদিও বিএনপির ভেতরে এনিয়ে দ্বিমত রয়েছে। বিএনপির নেতাদের কেউ কেউ মনে করেন শেখ হাসিনা তার অধিনে নির্বাচন করতে চাইছেন, সেটা হলেও নির্বাচনে বিএনপির যাওয়া উচিত। তা গেলে অন্তত জয়ী হতে না পারলেও সংসদে থাকতে পারবে। আর সংসদে থাকলে কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। পুনরায় সংসদে গিয়ে দাবি আদায় করতে হবে। না গেলে ৫ জানুয়ারির মতো আরো একটি নির্বাচন করে তারা তাদের ক্ষমতায় ও সরকারের থাকার বিষয়টি চিরস্থায়ী করবে।
কিন্তু দলের আরেক পক্ষের মত হচ্ছে , বিএনপি ক্ষমতার বাইরে গেছে সাড়ে আট বছর। আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে ছিল ২১ বছর। সেই তুলানায় বিএনপির সরকারের না থাকাটা বড় সমস্যা নয়। সমস্যা হলো সরকারে না থাকলেও বিরোধি দলে থাকা উচিত। সেটা না করার কারণে গত দেড় বছর ধরে সরকার যা ইচ্ছে তা করছে। স্বৈরতন্ত্র ও একদল দলীয় শাসন কায়েম করেছে। সেই সুযোগ দেওয়া যাবে না। তাই শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে গেলে আবারও পরিকল্পিতভাবে ২০ দলীয় জোটকে পরাজিত করে এরপর আওয়ামী জোট আবারও সরকার গঠন করবে। এতে লোকসান হবে বিএনপির। সেটার সুযোগ দেওয়া যাবে না। যে কোন ভাবেই হোক দাবি আদায়ের পরই নির্বাচনে যেতে হবে। আর নির্বাচন অবাধ, সু¯¤ু, নিরপেক্ষ হলে ২০ দলীয় জোট ক্ষমতায় আসবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন নেতা বলেন, এখন আমরা সংসদে নেই। এই কারণে সরকার আমাদের নেতা কর্মীদের নামে মিথ্যে মামলা করেছে। হয়রানী করছে। তাদেরকে গ্রেপ্তার করছে। আমাদের নেতাদের নির্যাতনও করা হয়েছে। এখনও হচ্ছে। নেতারা বাড়িতে থাকতে পারছেন না অনেকেই। আমরা সংসদে থাকলে এখন যেটা হচ্ছে সেটা হতো না। এই কারণেই আর যাই হোক না কেন আগামী দিনে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নির্বাচন করার দাবি চলবে। সেটার পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের জন্য যা যা করা দরকার তার সবই করা হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের একজন উপদেষ্টা বলেন, সরকার ২০১৯ সালে নির্বাচন যথা সময়ে করার পরিকল্পনা করছে। কিন্তু করতে পারবে কিনা নিশ্চিত নয়। এই কারণে তারা বার বার নির্বাচন সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদ পূরনের পর যথাসময়ে হবে বলে আসছে। তারা যদি নিশ্চিত হতো যে তারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থাকতে পারবে তাহলে এটা নিয়ে তাদেরকে বার বার কথা বলতে হতো না।
আমাদের কেউ কেউ এতদিন মধ্যবর্তী ও আগাম নির্বাচনের কথা বলেছি। এখন আর সেটা বলছি না। আমরা আসলে মধ্যবর্তী নির্বাচন চাই না। আমরা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চাই। এটা সরকারকে করতেই হবে। তারা মুখে যতই নির্বাচন না করার কথা বলুক না কেন।
এদিকে সরকারের নীতি নির্ধারক একজন মন্ত্রী বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন নির্বাচনকালীন সরকার থেকে হাসিনাকে মাইনাস দেখতে চান। তার অধিনে কোন নির্বাচন করবেন না বলছেন। সেটা তারা স্বপ্ন দেখতে পারেন। কিন্তু কোন লাভ হবে না। নির্বাচন অবশ্যই শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধিনেই হবে। ওই সময়ে বিএনপি যদি আগ্রহ প্রকাশ করে তারা ওই সময়ের সরকারের তারা থাকবে তাহলে সরকার সেটা বিবেচনা করতে পারে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে তাদেরকে নির্বাচনকালীন সরকারে আসার সুযোগ দিয়েছিল, সেই সঙ্গে বলেছিল বিএনপির প্রতিনিধিদের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ও ছেড়ে দিবে। কিন্তু বিএনপি আসেনি। আগামীতে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনেতো বিএনপির আসার সুযোগ নেই। কারণ ওই সরকারের তাদের মন্ত্রী হিসাবে থাকতে হলে নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসাবেই থাকতে হবে। সেটা তাদের নেই। এরপরও প্রধানমন্ত্রী চাইলে বিশেষ বিবেচনায় বিএনপির ৫-৭ জন কিংবা আলোচনা হওয়ার প্রেক্ষিতে সংখ্যা নির্ধারন করে টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রী করে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সেটা নির্ভর করবে সরকারের পরিকল্পনা মাফিক তারা নির্বাচনে আসবে কিনা। যদি তারা না আসে তাহলে কোন সমঝোতা হবে না। আর বিএনপি যেটা সংকট মনে করছে সেটা তাদের ব্যক্তিগত সংকট। তারা নির্বাচনের বাইরে থেকেছে স্বেচ্ছায়। আগামীতেও তারা না আসলে তাদের সিদ্ধান্তের বাইরে থাকবে। এখানে সরকারের কোন দায় নেই। তাই বিএনপিকে ঠিক করতে হবে তারা নিরপক্ষে নির্বাচনের জন্য বসে থাকবে নাকি ২০১৯ সালে যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে অংশ নিবে। যদি বসে থাকে তাহলে ২০২৪সালের আগে আবারও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। সেটা হলে বিএনপির অস্তিত্বই থাকবে না।
আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, আগামী নির্বাচন হবে বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী। আমরা আশা করি, সবাই সেই নির্বাচনে অংশ নেবে।
সূতও জানায়, বিএনপি এখনও বিশ্বাস করে এবং মনে করে সরকার আগাম নির্বাচন দিতে বাধ্য হবে। সেই নির্বাচনে তারা অংশ নিবে। এই জন্য নির্বাচনের প্রাক প্রস্তুতি হিসাবে অক্টোবরে কাউন্সিল করার জন্য বিভিন্ন কাজ করছে।
বিএনপির চেয়ারপারসনের ঘনিষ্ট সূত্র জানায়, বিএনপি দ্রুততম সময়ে আন্তর্জাতিক মহল ও জনগণকে নিয়ে এমন চাপ তৈরি করবে যাতে করে সরকার এখন যাই বলুক না কেন ২০১৯ এর আগেই একটি আগাম একটি নির্বাচন করবে। ওই নির্বাচনে তারা অংশ নিবে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, সরকারের সঙ্গে আমরা আলোচনায় বসতে চাই। ম্যাডাম সেই আভাসও দিয়েছেন। কেমন করে কোন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে সেটাও স্পষ্ট করেছেন। এরপরও যদি সরকার আলোচনায় আসতে না চায় তাহলে বুঝতে হবে সরকার সংকটের সমাধান চায় না। জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরিয়ে দিতে চায় না।
তিনি বলেন, সরকার কেবল নিজেরা তাদের পরিকল্পনা ও লক্ষ্য সফল করার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদ পূর্ণ করতে চায়। সেটা সরকার পারবে না। জণগন তা চায় না। এই কারণে আমরাতো থেমে থাকবো না।
বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্ভাব্য যাদেরকে আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে সেই তালিকাও ঠিক করে রেখেছেন। সেই সঙ্গে নির্বাচনের দায়িত্বও সিনিয়র বেশ কয়েকজন নেতাকে দিতে চান।
সূত্র জানায়, বিএনপির বিশ্বাস ছিল সরকার ২০১৪ সালেই ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর প্রথম কোয়ার্টারেই একাদশ নির্বাচন করবে। সেই হিসাবে তারা ওই সময়ে সব প্রার্থীও ঠিক করেছিল। সরকারের সঙ্গে মধ্যস্থতা করেই ৫ জানুয়ারি নির্বাচন থেকে সড়ে এসেছিল। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা মতো নির্বাচন হয়নি। তারপরও বিএনপি মনে করছে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন আসার পর সরকার ও বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করার পর একটি সমঝোতা হবে।
বিএনপি এমন আশা করলেও সরকারী দলের সাধারন সম্পাদক ও জন প্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন, একাদশ নির্বাচন সরকারের মেয়াদ শেষে হবে। মধ্যবর্তী নির্বাচন হবে এমন কোনও আভাস দেননি। তবে উড়িয়েও দেননি। পুরো বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছের উপর ছেড়ে দিয়েছেন।
এদিকে বিএনপি এটা মানতে নারাজ। তারা মনে করে সরকার নির্বাচন দিতে হবে। বিএনপি চেয়ারপারসন কয়েকদিন আগে তার অবস্থান পরিস্কার করে জানান, নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক নয় নির্দলীয় ও নিরেপক্ষ সরকারের অধিনে হলেই হবে। শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনায়ও বসার আহ্বান জানান। কিন্তু সেই আহ্বানের ব্যাপারে সরকার এতদিন তার মনোভাব স্পষ্ট না করলেও সৈয়দ আশরাফ গত শনিবার তা স্পষ্ট করেন। ওই দিনই খালেদা জিয়া স্পষ্ট করে দেন শেখ হাসিনার অধিনে কোন নির্বাচন নয়। তাকে সরে দাঁড়াতে হবে।
সৈয়দ আশরাফ বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচনের বিষয়ে আমাদের দলের মধ্যে কোনো আলোচনা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে আমার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি। আমরা ৫ বছর পরেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। সবার অংশগ্রহণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধিনেই সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী চাইলে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে পরামর্শ করে
যেকোনো সময় মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে পারেন। এ ধরনের কোনো আলোচনা দল বা সরকারে এখনও হয়নি।
পাশাপাশি তিনি প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার স্মরণ করিয়ে দিয়ে এটা বলেছেন, উনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, যে কোনো সময় হবে। না হলে যথা সময়ে হবে। উনি ইচ্ছা করলে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতেও পারেন, নাও পারেন। পাঁচ বছরের মাথায় দেশে অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। প্রধানমন্ত্রীও সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। বরং আগামী নির্বাচনে বিএনপি যদি না আসে তাহলে তাদের অস্থিত্ব বলতে কিছু থাকবে না।
এদিকে বিএনপি এটা মানতে নারাজ। সেই জন্য এই বিষয়ে অবস্থানও স্পষ্ট করেছে। বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, ক্ষমতাসীনদের অধীনে দেশে কোনো সুষ্ঠু-অবাধ-নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোনো পথ খোলা নেই। এ জন্য দ্রুত একটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে করণীয় ঠিক করতে সবার সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি জানান তিনি। তার মতে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আগামী জাতীয় নির্বাচন শেখ হাসিনার অধিনেই হবে বলে জানিয়ে জাতিকে হতাশ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি এই শঙ্কা জাগিয়ে তুলেছেন যে, দেশে আবারও একটি ৫ জানুয়ারির মতো ভোটারবিহীন ৫ শতাংশের সরকার গঠিত হবে।
তবে সরকার মনে করছে, বিএনপি যাই আশঙ্কা করুক না কেন, নির্বাচন বর্জন করলে কোনো লাভ হবে না। তারমতে, আপনি জেনেও যান নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই, তাহলেও নির্বাচনে অংশ নেওয়া উচিত। তিনি বিএনপিকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুরোধ করেন। ওই নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।সূত্র: আমাদের সময়।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!