শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

টিম ম্যানেজম্যান্টের সিদ্ধান্তেই তিন নম্বরে মিরাজ

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১০ জানুয়ারী ২০১৯ - ১০:৪১:২২ এএম

নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবতেই পারেন তিনি। এমনিতে তার ব্যাটিং পজিশন ছয়-সাত কিংবা আট নম্বরে। কিন্তু আজ খুলনা টাইটানসের বিপক্ষে তিন নম্বরে প্রমোশন পেয়েছেন রাজশাহী অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। লক্ষ্য ছিলো খুব ছোট; মাত্র ১১৮। যেহেতু দল জিতেছে ৭ উইকেটে, তাই সাত-আট নম্বরে থাকলে হয়তো ব্যাট করারই সুযোগ পেতেন না।

কিন্তু টিম ম্যানেজম্যান্ট তাকে সৌম্য সরকারের বদলে তিনে খেলার পরামর্শ দিয়েছে, সে পরামর্শ মেনে ওয়ানডাউনে নেমে মিরাজ তুলে নিয়েছেন নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি। যা কি-না চলতি আসরে বাংলাদেশিদের প্রথম ফিফটি। নিজের নিয়মিত ব্যাটিং পজিশনে থাকলে এ অর্জন করা হতো না মিরাজের।

নিয়মিত তিন নম্বর ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার থাকতেও মিরাজ কেন উপরে উঠে এলেন, স্বভাবতই সে প্রশ্ন ওঠে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে। ফিফটি হাঁকিয়ে চলতি আসরে দলের প্রথম জয় নিশ্চিত করার পরে দলের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনেও আসেন অধিনায়ক মিরাজই।

তিনি জানান টিম ম্যানেজম্যান্ট থেকেই নেয়া হয়েছে এ সিদ্ধান্ত। তিনের নামার কারণ ও এর পেছনের পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে মিরাজ বলেন, ‘তিনে নামার প্ল্যান ছিল ম্যানেজমেন্ট থেকে। দলের থেকে বলা হয়েছিল, প্রথম তিন ওভারের মধ্যে উইকেট পড়ে তাহলে আমি যাব, তা না হলে (সৌম্য) সরকার ভাই যাবে। দলে সবার মধ্যে যোগাযোগ ভালো হয়েছে। প্ল্যানটা সফল হয়েছে। খুব ভালো লাগছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আসলে আমাদের ব্যাটিং লাইনআপ বড় করার জন্য আমার উপরে আসা। আমার না হয় সাত-আট নাম্বারে নামা হত। আজ আমাদের বেশি রানও দরকার ছিল না। ছয়ের আশেপাশে রান রেট ছিল। ওইসময় মারার চেয়ে বেশি ইম্পরট্যান্ট হল সিঙ্গেল নিয়ে খেলা। এর জন্যই সবাই চিন্তা করেছি যে আমিই যাই উপরে। কোচ আমাকে এ পরিকল্পনা জানানোর পরে আমি তাকে বলেছি যে পারবো।’

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে উপরের দিকে ব্যাটিং করলেও, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নাম লেখানোর পর থেকে নিচের সারির ব্যাটসম্যানই হয়ে গিয়েছেন তিনি।এশিয়া কাপ ফাইনালে সময়ের প্রয়োজনে সবাইকে চমক উপহার দিয়ে নেমেছিলেন ইনিংস সূচনা করতে। খেলেছিলেন সময়োপযোগী ৩২ রানের ইনিংস। সেই একবারই জাতীয় দলে উপরের দিকে খেলার সুযোগ মিলেছে তার।

সাম্প্রতিক সময়ে মাত্র একবার উপরে খেললেও সে আত্মবিশ্বাসই তিনি কাজে লাগিয়েছেন বলে জানান মিরাজ। তার ভাষ্যে, ‘আসলে আত্মবিশ্বাস থাকা তো সবসময় ভালো। এশিয়া কাপের ফাইনাল থেকে অনেক আত্মবিশ্বাস পেয়েছি। আমি চিন্তা করেছি আমি পারব, আমি বিভিন্ন সিচুয়েশনে খেলেছি। ওখান থেকেই আত্মবিশ্বাস এসেছে। আর দলের সবাই বিশ্বাস করেছে। এটা আরও ভালো লেগেছে।’

এসময় নিজেদের প্রথম জয়ের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মিরাজ বলেন, ‘খুব ভালো লাগছে। কারণ আমরা একটা ম্যাচ জিতেছি, প্রথম ম্যাচ হারার পর আমরা কামব্যাক করেছি। আমাদের একটা জয় দরকার ছিল দল চাঙ্গা করার জন্য। আসলে দলের সবাই সাহায্য করছে। ম্যানেজমেন্টের সবাই হেল্প করছে। দেশি ও বাইরের সবাই। খুব ভালো লাগছে। উপভোগ করেছি।’

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!