শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

জেলা বিএনপির কার্যালয় এখন হোটেল

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১৪ জানুয়ারী ২০১৯ - ০২:০০:১৭ পিএম

শহরের ফায়ার সার্ভিসের সামনে ব্যক্তি মালিকানাধীন একটি ভবনে ভাড়া চুক্তিতে জেলা বিএনপির কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো। বিএনপি অফিসের চুক্তিনামা ছিলো জেলা বিএনপির সহসভাপতি মিঞা আহমেদ কিবরিয়ার নামে। একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন মিঞা আহমেদ কিবরিয়া। কিন্তু মনোনয়ন না পাওয়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর শুক্রবার (১১ জানুয়ারি) জেলা বিএনপি কার্যালয়ের ভাড়া চুক্তি বাতিল করে সাইনবোর্ড অপসারণ ও মালামাল বের করে নিয়েছেন তার লোকজন দিয়ে।

শুক্রবার বিকেলেই ভবনের মালিক মৃত রশিদ মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম সেখানে তালা লাগিয়ে দেন। বর্তমানে ওই ঘরটিতে আগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরাফাত হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের স্টিকার লাগিয়েছে মালিকপক্ষ। ফলে দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করার মতো অফিস না থাকায় হতাশ হয়ে জেলার নেতা কর্মীরা। এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে সদর থানায় একটি অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

বিএনপি অফিসের তত্ত্বাবধায়ক ফরিদ হোসেন বলেন, শুক্রবার জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়ন বঞ্চিত নেতা মিঞা আহমেদ কিবরিয়া ফোন করে অফিসের চাবি মালিক পক্ষের লোকজনের কাছে দিতে বলেন। তিনি সভাপতি ও সম্পাদকের অনুমতি ছাড়া চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে চাবি দিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়।

পরে অফিসের তালা ভাঙার চেষ্টা করা হয়। ফরিদ মালিক পক্ষের সাইফুলকে চাবি দিলে তার সঙ্গে থাকা আরো কয়েকজন অফিসের মালামাল বাইরে বের করে অফিসে তালা মেরে দেন।

নেতাকর্মীরা জানান, এই জেলা কার্যালয়টি মূলত ঝালকাঠি-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী জেলা বিএনপির সহসভাপতি মিঞা আহমেদ কিবরিয়ার উদ্যোগেই কয়েক বছর আগে তার এক আত্মীয়ের কাছ থেকে ভাড়া নেয়া হয়েছিল। এতদিন কিবরিয়াই এই ভবনের ভাড়া পরিশোধ করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের ধারণা এবার মনোনয়ন না পেয়ে কিবরিয়া ক্ষুদ্ধ হয়ে অফিস ছেড়ে দিয়েছেন।

জেলা বিএনপি সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, আমার কাছে কিবরিয়া সাহেব ফোন করে বলেছেন, আমি অফিস ছেড়ে দিয়েছি, মালিক পক্ষকে ভবন বুঝিয়ে দিতে হবে। এ সময় আমি কিবরিয়াকে বলি, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর জেলে রয়েছে। সে বের হলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হবে। কিন্তু এরপর শুনি অফিসের মালামাল বের করে তালা মারা হয়েছে। অফিসের মামলার আমরা বুঝে রাখিনি।

এ বিষয়ে মিঞা আহমেদ কিবরিয়া বলেন, আমার আত্মীয়র কাছ থেকে অফিসটি ভাড়া নিয়েছিলাম। এখন পারিবারিক সমস্যার কারণে অফিসটি ছেড়ে দিতে হচ্ছে। অফিসের মালামাল আমার হেফাজতে রয়েছে।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!