শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

থানা-কারাগারে বায়োমেট্রিক চালুর তাগিদ হাইকোর্টের

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ - ০৪:১০:৪৮ পিএম

ডেস্ক রিপোর্টঃ-

প্রকৃত আসামি শনাক্তে দেশের সব থানা ও কারাগারে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করতে বলেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আসামি ও অভিযুক্তদের আঙুলের ছাপ, হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণির প্রতিচ্ছবি যুক্ত করার কথা বলেছেন। এক রিটের রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত এ কথা বলেছেন।

এতে গ্রেপ্তারের পর আসামি বা অভিযুক্তের সম্পূর্ণ মুখের ছবি (মাগশট ফটোগ্রাফ) নিয়ে কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে সংরক্ষণেরও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেন। রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, গ্রেপ্তারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি ধারণ করতে হবে। শনাক্তকরণ পদ্ধতিতে বিদ্যমান শনাক্তকরণ ফরমে আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি যুক্ত করার বিধান প্রবর্তন করতে হবে এবং তা কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে সংরক্ষণ করতে হবে।

দেশের সব কারাগারে আঙুলের ছাপ (ফিঙ্গার প্রিন্ট), হাতের তালুর ছাপ (পাম প্রিন্ট) ও চোখের মণি (আইরিশ) স্ক্যানিং ব্যবস্থাযুক্ত বায়োমেট্রিক ডাটা ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে। প্রকৃত আসামি শনাক্ত এবং কারাগারে থাকা আসামিদের বায়োমেট্রিক করার জন্য উদ্যোগ নিয়ে দ্রুততার সঙ্গে এসব বিষয় বাস্তবায়ন করা দরকার।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। শিশির মনির সাংবাদিকদের বলেন, আদালত পর্যবেক্ষণসহ রায় দিয়েছেন। রায়ে রিট আবেদনকারী জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে পরোয়ানাকে অবৈধ ও আইনবহির্ভূত ঘোষণা করা হয়েছে।

২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল ঢাকার খিলগাঁও থানায় নাশকতার মামলায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের মোদাচ্ছের আনছারী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাটের মোল্লাবাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ জহির উদ্দিন হিসেবে পরিচয় দেয়। এরপর ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে বের হয়ে পালিয়ে যান। মোদাচ্ছের আদালত থেকে জহির উদ্দিন নামেই জামিন নিয়েছিলেন। তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উপাধ্যক্ষ জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর জহির নিজেই আইনি প্রক্রিয়ায় কারা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে মূল আসামি মোদাচ্ছের আনছারীর ছবি, শারীরিক বর্ণনাসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে তার (জহির) বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

গত বছরের ১০ মার্চ ওই রিটের শুনানি নিয়ে এ বিষয়ে রুল জারির পাশাপাশি জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিতের আদেশ দেন হাইকোর্ট। এ ছাড়া প্রকৃত আসামি নির্ণয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে পিবিআই জানায়, জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাধারী আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নন।প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রুলের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!