শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ - ০৯:৫২:৪৩ পিএম

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) থেকেঃ-
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শিলকুপ ইউনিয়নের জামায়াতের রোকন কাজী নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য বেদারুল হক চৌধুরী। আজ সোমবার বিকেলে অক্সিজেনস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াত নেতা কাজী নুর মোহাম্মদ অভিযোগকারী ওই সাবেক সেনা সদস্যের আত্মীয় হন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাবেক সেনাবাহিনীর সদস্য বেদারুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমরা বর্তমানে ৩ ভাই ৪ বোন। বোনেরা শ্বশুর বাড়িতে থাকে। ১৯৯৯ সালে আমার বাবা মারা যান। আমার মা বয়োবৃদ্ধ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি আমার মা একটি জায়গা বিক্রি করে ৪০ লাখ ২৮ হাজার পান। আমরা ভাই-বোন সবাই মোরশী ও ক্রয় করা জমি বিক্রি করে যার যার টাকা গ্রহণ করি। আমার মা জায়গা বিক্রির টাকাগুলো ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের বাঁশখালী শাখায় জমা রেখে চেক বই গ্রহণ করেন। আমার মার টাকার ওপর বড় বোন ফরিদা ও তাঁর স্বামী জামায়াত নেতা কাজী নুর মোহাম্মদ ও তাঁর ছেলে কাজী শাহরিয়ারের কুদৃষ্টি পড়ে। পরে তাঁরা আমার অসুস্থ মাকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে যায়। ওখানে যাওয়ার সময় মা চেক বই সঙ্গে নিয়ে যায়। পরে আমার বোন ফরিদা খানম মাকে বলে আমাকে ৩০ হাজার টাকা দেন, আমার ছেলে কাজী শাহরিয়ার বেতন পেলে দিয়ে দিব। আমার মা সরল বিশ্বাসে একটি ব্যাংক চেকে টিপসই দেন। পরে চেক ভুল হয়েছে বলে আরও দুটি চেকে টিপসই নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তাঁরা মাকে ব্যাংকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাঁরা মায়ের ৩০ হাজার টাকা তোলার পরিবর্তে ৩৬ লাখ টাকা ফরিদা খানের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করিয়ে নেয়। কিছুদিন পর আমি আমার মায়ের টাকাগুলো এফডিআর করতে ব্যাংক অফিসারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে যাই। আমার মায়ের ৪০ লাখ ২৮ হাজার টাকার স্থলে ২ লাখ টাকা ব্যালেন্স দেখতে পাই। পরে যাচাই করে দেখি টাকাগুলো ফরিদা খানমের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।’

বেদারুল হক চৌধুরী বলেন আরও বলেন, ‘মাকে বিষয়টি বললে মা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে এবং এক পর্যায়ে হার্ট অ্যাটাক করে। পরে মাকে চট্টগ্রামে মেডিকেলে ভর্তি করি। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর মাকে বাসায় নিয়ে আসি। পরে মা বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বাঁশখালী থানাকে তদন্ত দিলে থানা সরেজমিনে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে একটি তদন্ত রিপোর্ট দেয়। থানা দু’পক্ষকে ডাকলে ফরিদা গং টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে স্বীকার করে। টাকাগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে মাকে পরিশোধ করবে বলে অঙ্গীকার করে। পরে আমরা মায়ের টাকাগুলো চাইতে গেলে টাকা না দিয়ে উল্টো আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-দমকি দিচ্ছে। সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমাদের গুম করারও হুমকি দিচ্ছে। পরে তারা আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতাই ভুগছি। আমি আমার মায়ের টাকাগুলো উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছি।’

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সেনা সদস্য বেদারুল হক চৌধুরীর, তাঁর বড় ভাই দিদারুল হক চৌধুরী, তাঁর ছেলে এম মুসফিকুল হক চৌধুরী ও রবিউল ইসলাম।

সর্বশেষ
জনপ্রিয় খবর

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!