শিরোনাম
নব নির্বাচিত এমপি আলহাজ্ব হাবীব হাসানের কাছে ঢাকা ১৮ আসনের জনগনের প্রত্যাশা ই-পাসপোর্ট যুগে প্রবেশ ৩টি রকেট আঘাত হানলো বাগদাদের মার্কিন দূতাবাদের কাছে সিপিবি’র সমাবেশে বোমা হামলা মামলায় ১০ আসামির মৃত্যুদণ্ড চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা: খালেদার জামিন খারিজের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শাবানা আজমি: ‘কর্মফল’ হিসেবে দেখছেন বিজেপি সমর্থকরা সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক বিপিএল-এ এবারের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকা জরুরি বৈঠকে যাবে না তৃণমূল কংগ্রেস নতুন কমিশন অনুযায়ী সাপ্তাহিক মজুরি পেতে শুরু করেছে পাটকল শ্রমিকরা

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ইকবাল সিন্ডিকেটের রমরমা নিয়োগ বানিজ্য

উত্তরা টাইমস
সম্পাদনাঃ ১২ জানুয়ারী ২০২২ - ০৬:২৪:৪৭ পিএম

যশোর প্রতিনিধিঃ-ড. ইকবাল কবীর জাহিদ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর নিযোগ বোর্ড এর সদস্য হিসাবে মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও তাকে সেই পদে রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, প্রথম মেয়াদে ৩০-০৬-২০১৮ হতে ১৯-০৪-২০১৯ পর্যন্ত ভাইস চ্যান্সেলর নিজ ক্ষমতা বলে নথির মাধ্যমে ড. ইকবাল কবীর কে নমিনেশন প্রদান করেন । দ্বিতীয় মেয়াদে রিজেন্ট বোর্ড অনুমোদন স্বাপেক্ষে “উপাচার্য মহোদয় কর্তৃক একজন শিক্ষক- সদস্য ( দুইবছর মেয়াদের জন্য)” ২০-০৪-২০১৯ হতে ১৯-০৪-২০২১ পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত হন। আট মাস অতিক্রান্ত হওয়ার পরও তিনি উক্ত পদে বহাল আছেন। অথচ ক্যাম্পাসে ১৭ জন প্রফেসর কর্মরত আছেন। ড.ইকবাল ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে সিন্ডিকেট করে বহাল তবিয়তে নিয়োগ বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে। নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে দৃশ্যত পরীক্ষা হলেও প্রশ্নগুলো অত্যন্ত সুকৌশলে এবং চর্তুরতার সাথে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে মোটা অংকের বাণিজ্য করার পর হস্তাস্তর করা হয়। চুক্তি সাপেক্ষে যে কোনো মাধ্যমে প্রশ্নপত্র উত্তরসহ ক্যান্ডিডেটের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা মোবাইল নিয়ে ঠুকতে না পারলেও তিনি নিজের ব্যবহৃত মোবাইল এর মাধ্যমে খুব সহজে কাজটি করে থাকেন। ক্যাম্পাসে ছোট ভিসি হিসাবে পরিচিত হওয়ায় সবাই ব্যপারটি জানলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চাননা। এই কাজের মূল হোতা অর্ডার লিপিয়ন কে এম আরিফুজ্জামান। কর্মচারী সমিতির অর্থ আত্মসাতের কারণে তাকে ইতিমধ্যে ট্রেজারার দপ্তরে বদলী করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বেও কোটি টাকার গরুর খামারের দূর্নীতির সচিত্র প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। গরুর ব্যবস্যর রহস্য উম্মোচিত হওয়ায় বর্তমানে বেনামে জমি ক্রয় ও বেনামে এফ ডি আর করে রেখেছে। ভাগ্নের নামে গরুর ব্যবস্যা চালালেও সবই সে তদারকি করে। ড. ইকবাল কবীর জাহিদ নিয়োগ বানিজ্যের অর্থ কে এম আরিফুজ্জামান নিয়ন্ত্রন করে বলে জানা যায়। এই পাঁচ বছরে অসংখ্য নিয়োগ বানিজ্য করেছে এই সিন্ডিকেট। সিন্ডিকেটের আরো সদস্যরা হলো পি এন্ড ডি দপ্তরের উপ পরিচালক ড.আব্দুর রউফ, হিসাব দপ্তরের সহকারী পরিচালক ( হিসাব) শরিফুল ইসলাম। এই শরিফুল পরিবহন সেক্টরের এক হেলপার শরিফুলের নিকট হতে ১০০০০০০/- ( দশ লক্ষ) টাকা নিয়ে ড. ইকবালকে প্রদান করেন। অথচ এই হেলপারের পিতা পঙ্গু এবং চিকিৎসাধীন। তিনি টাকা গুলো সুদে এনজিও হতে তুলেছিলেন এবং এখনও কিস্তি টেনে যাচ্ছেন। সর্বশেষ তার শিকার টনি নামে এক ড্রাইভার। অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে রেখে তিনি সর্বক্ষণ নিয়োগ সংক্রান্ত কাজে ব্যস্ত থাকেন। পি এন্ড ডি দপ্তরের উপ-পরিচালক ড.আব্দুর রউফ, ড. ইকবাল কবীর জাহিদ এর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তার আপন ভাগ্নের নিকট হতে জোর পূর্বক জমি বিক্রির ১৭০০০০০/-( সতের লক্ষ ) টাকা নিয়ে সিন্ডিকেটের হোতা ড. ইকবালকে দিয়েছিলেন। এই জন্য তার বিরুদ্ধে কয়েক মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন হতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যেটি এখনও তদন্তনাধীন। ঠিকাদারদের নিকট হতে কমিশন গ্রহনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সকলের মুখে মুখে ঘুরছে। টাকা খেয়ে নিন্মমানের ফটোকপি মেশিন, কম্পিউটার ক্রয় তার নিত্য দিনের কাজ। জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ পি এ কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে তার বন্ধুর নিকট হতে ১৫০০০০০/- ( পনের লক্ষ টাকা) নিলেও ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় তার চাকুরী হয়নি।এছাড়াও তিনি লাইব্রেরীতে কর্মরত একজন কর্মচারীর নিকট হতে ১২০০০০০/-( বার লক্ষ ) টাকা নিয়ে চাকুরী প্রদান করেন। উল্লেখ্য যে, ছেলেটির বোন জনাব আব্দুর রশিদের বন্ধু। অনেকবার এই বিষয়গুলো পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও প্রশাসন কেন এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না এটাই এখন ধোয়াশা। এই চক্রটিকে থামিয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিলে বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রশাসনিক ব্যবস্থা অচিরেই মুখ থুবড়ে পড়বে।

সর্বশেষ

Uttara Times

Like us on Facebook!
Sign up for our Newsletter

Enter your email and stay on top of things,

Subscribe!